বৃহস্পতিবার  ৩০শে মার্চ, ২০১৭ ইং  |  ১৬ই চৈত্র, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ  |  ৩রা রজব, ১৪৩৮ হিজরী
53820_e2

মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ চলে যাওয়ার নয় বছর

রাজার আসনে আসীন। তিনি ঢালিউডের সুপার হিরো মান্না। ২০০৮ সালের এ দিনে ভক্তদের কাঁদিয়ে চলে গেছেন সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে। সেদিনের সেই দুঃসংবাদটা অনেকে আজও মেনে নিতে পারেনি। আগের দিন নিজের প্রিয় কর্মস্থল এফডিসি থেকে হাসিমুখে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় যান তিনি। সকালবেলা জানা গেল হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে মান্না। খবরটা শুনেই গোটা ঢালিউডে ছড়িয়ে পড়ে অপরিসীম কষ্ট। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে উৎকণ্ঠা। কারণ, মান্না তখন রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে। এমন সংবাদে চলচ্চিত্র জগতের প্রিয় মুখগুলো ছুটতে থাকেন হাসপাতালে। তার পরের ঘটনা সবারই জানা। শুধু এফডিসিজুড়ে নয়,
দেশজুড়ে মান্নার মৃত্যু বয়ে আনে শোকের ছায়া। অনেক ব্যবসাসফল ছবির এ নায়ককে আজও সযতনে মনে রেখেছেন ভক্তরা। মান্নার মৃত্যুর খবরে সবার অনুভূতি একটাই, সব শেষ। মান্নার চলে যাওয়ায় চলচ্চিত্রের সব শেষ না হয়ে গেলেও শেষ হওয়ার পথে। এক শাকিব খান একা টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। তাই তো আজও চলচ্চিত্রের শুটিং ডাবিং থেকে শুরু করে নেতৃত্ব-আন্দোলন যে কোনো ভালো বিষয়েই উঠে আসে মান্নার নাম। আজও চলচ্চিত্রাঙ্গনের মানুষেরা তার অভাবটা প্রতিটি মুহূর্তে অনুভব করেন। মান্নাবিহীন যে কোনো আন্দোলনই যেন গতিহারা, পুরো চলচ্চিত্রটাই কেমন যেন ছন্নছাড়া। চলচ্চিত্রের অনেকে এখনো অকপটে স্বীকার করেন, মান্না থাকলে এমনটি হতো, কিংবা মান্না থাকলে এমনটি হতো না। কারণ, মান্না শুধু একজন নায়ক কিংবা অভিনয় শিল্পীই ছিলেন না। তিনি ছিলেন আপাদমস্তক একজন সিনেমাপ্রেমী মানুষ। দর্শকদের ভালোবাসা একজন শিল্পীর জন্য সবচেয়ে বড় পাওয়া। মান্না সে ভালোবাসা এত বেশি পেয়েছেন যা হিসাব করে বলা যাবে না।